পৃষ্ঠাসমূহ

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৪

মৃত মানুষেরাও আসছে সামাজিক নেটওয়ার্কে !


 বিজ্ঞানের এই যুগে অনেক নতুন আবিষ্কারের অনেক কিছুই যেমন ছিল শুধু প্রয়োজনের জন্য, তেমনি অনেক কিছুই হয়েছে কিছু খেয়ালি মানুষের হুজুগের বশে। এমনি একজন খেয়ালি মানুষ,ইসরায়েলী বংশউদ্ভুত উদ্যোক্তা শেলি ফারমেন, নিয়ে এসেছেন মৃত মানুষের জন্যে সামাজিক যোগাযোগের সাইট। প্রায় ৪০ হাজার ডলার খরচ করে তিনি বানিয়েছেন “নেশামা” (neshama.info) নামের অদ্ভুত এই সাইট। তার ইচ্ছা এই সাইটের মাধ্যমে ইসরায়েলের সব কবরখানার তথ্য সংরক্ষন করা হবে। হিব্রু “নেশামা” শব্দের অর্থ “আত্মা” যদিও সাইট টি তে ইংরেজিতে ব্যবহার করা গেলেও, মৃতদের নাম খুজতে হবে হিব্রু ভাষায়।
অদ্ভুত হলেও এই সাইট টি ইতোমধ্যে ভালোই সাড়া ফেলেছে। অনেকেই তাদের হারানো প্রিয়জনদের খুঁজতে এবং তাদের স্মরণ করতে এই সাইটের দিকে ঝুঁকবেন-এমনটাই আশা শেলির।
তথ্যসূত্রঃ টাইমস অফ ইন্ডিয়া !

ভুয়া লাইক এর বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঢাকা .........

                                                            Facebook Likes


                            সোশাল নেটওয়ার্ক ফেসবুকের লাইক আর টুইটারের ফলোয়ার সংখ্যার উপর অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম জড়িত। কে কত বড় সেলিব্রেটি, বা কোন পণ্য কত বেশি জনপ্রিয়, সেসবের বিচারেও আজকাল বিবেচনায় আসে লাইকের সংখ্যা৷ এই লাইক বেশ সস্তাতেই বিক্রি হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ডয়েচে ভেলে।
ফেসবুক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ সাইট৷ আর এই সাইট ঘিরে বাণিজ্যেরও শেষ নেই৷ ফেসবুকের সুবিধা নিচ্ছে বিশ্বের প্রায় সব বড় প্রতিষ্ঠান৷ হলিউড, বলিউড তারকারাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই৷
তবে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ সাইটে নিজেদের শক্ত অবস্থান বোঝাতে অনেকে ‘ভুয়া লাইকও’ কিনছেন৷ খুব সস্তায় ইন্টারনেটে বিকাচ্ছেও তা৷ কিন্তু নৈতিকতার প্রশ্নে ‘ভুয়া লাইক’ কেনাটা প্রতিষ্ঠান বা তারকা সবার ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর৷
ইটালির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং ব্লগার আন্দ্রেয়া স্ট্রোপা এবং কার্লা ডি মিশায়েলি হিসেব করে দেখেছেন, ২০১৩ সালে ভুয়া টুইটার ‘ফলোয়ার’ বিক্রি করে ৪০ থেকে ২৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো আয় করেছে অনেক প্রতিষ্ঠান৷ ফেসবুকের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২০০ মিলিয়নের মতো৷ শুধু লাইকই নয়, টাকার বিনিময়ে ওয়েবসাইট কিংবা ভিডিও-র জন্য ক্লিকও কিনছে অনেক প্রতিষ্ঠান৷
টাকা দিয়ে লাইক কেনার তালিকায় রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও৷ তাদের ফেসবুক পাতায় লাইকের সংখ্যা চার লাখের বেশি৷ লাইক বাড়াতে এই মন্ত্রণালয় কয়েক লাখ মার্কিন ডলার খরচ করেছে৷ ২০১৩ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পাতা সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল কায়রোতে৷
মার্কিন বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটস প্রেস (এপি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা হচ্ছে লাইক বা ‘ক্লিক বাণিজ্যের’ আন্তর্জাতিক কেন্দ্র৷
ইউনিক আইটি ওয়ার্ল্ড নামের ঢাকার একটি সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি তাঁর খদ্দেরের সামাজিক যোগাযোগ পাতা ‘লাইক’ করার জন্য অন্যদের পয়সা দিয়ে থাকেন৷ ফলে ফেসবুক, টুইটার বা গুগলের পক্ষে এসব লাইক ভুয়া হিসেবে গণ্য করা বেশ কঠিন৷
সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, ‘যেসব একাউন্ট থেকে লাইক বা ক্লিক করা হয় – সেগুলো ভুয়া নয়, আসল৷’
সাম্প্রতিক হিসেবে দেখা গেছে, ফেসবুকের অনেক পাতাই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ঢাকা শহরে৷ ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ফেসবুক পাতায় ভক্তের সংখ্যা প্রায় ৫১ মিলিয়ন৷ এই পাতা সবচেয়ে জনপ্রিয় ঢাকায়৷ একইভাবে ফেসবুকের নিজস্ব নিরাপত্তা পাতা এবং গুগলের ফেসবুক পাতাও লাইকের বিচারে সবচেয়ে জনপ্রিয় ঢাকায়৷
তবে, ফেসবুক বা টুইটারে ব্যাপক জনপ্রিয় অধিকাংশ পাতা ‘ভুয়া লাইকে’ ভরা – এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই৷ বরং লাইক বাড়ার পেছনে যৌক্তিক এবং বিশ্বাসযোগ্য কারণও থাকে৷ উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, বার্গার কিংয়ের কথা৷ এই ফাস্ট ফুড চেইনের ফেসবুক পাতা কয়েক সপ্তাহ লাইকের বিচারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল পাকিস্তানের করাচিতে৷ মূলত পাকিস্তানে বার্গার কিং-এর কয়েকটি শাখা চালু হওয়ার পর এমনটা হয়েছিল৷              

বছরজুড়ে আলোচিত দশ মোবাইল ফোন............

বছরজুড়ে আলোচিত দশ মোবাইল ফোন


বছরজুড়ে আলোচিত দশ মোবাইল ফোন
                                     
বছর শেষ হয়ে আবার একটি নতুন বছর আমাদের সামনে। ২০১৩ সাল জুড়ে বিশ্বের মোবাইল ফোন বাজারে ছিল উল্লেখ করার মতো অগ্রগতি। নানা ধরনের চমক জাগানো ফিচার নিয়ে একের পর এক নতুন নতুন হ্যান্ডসেট এসেছে বাজারে। বছরের শেষ প্রান্তে ফিরে দেখা যাক এ বছরের শীর্ষ দশটি মোবাইল ফোন:
* অ্যাপল আইফোন ৫এস : বছরের সেরা মোবাইল ফোন হিসেবে বিশ্বজুড়েই সবচেয়ে বেশি সমাদৃত হয়েছে আইফোন ৫ এস। অত্যাধুনিক এই ফোনটির শীর্ষস্থান লাভের পেছনে এর জনপ্রিয়তার চেয়ে যেটি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে সেটি হচ্ছে, এই আইফোন ৫এস ই ভবিষ্যতের স্মার্টফোনের গতিপথ বাতলে দিয়েছে। আইফোন ৫এস এর ৬৪ বিট সুপারফাস্ট প্রসেসর দিয়ে খুব দ্রুতগতির মোবাইল কম্পিউটিং ও ডাটা প্রসেস করা যাচ্ছে। এই ফোনটিই ইঙ্গিত দিচ্ছে মোবাইলের কম্পিউটিং ভবিষ্যতে আরো অনেক বেশি গতিশীল হয়ে উঠবে। এছাড়া এই ফোনে অ্যাপল ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তিতে ফোন লকের ব্যবহার করেছে তা ভবিষ্যতে আরো বিস্তৃত পরিসরে ব্যবহৃত হবে বলে জানিয়েছে অ্যাপল।
*স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট-৩ : ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাংয়ের এই স্মার্টফোনটি বাজারে আলোড়ন তোলে এর ৫.৭ সাত ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড ফুল এইচডি স্ক্রীন ও ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে। এছাড়াও এই ফোনটিতে আছে এস পেন নামে একটি স্টাইলিস পেন যা দিয়ে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন পয়েন্ট নোট করা, আকাআকি এমনকি কন্টাক্ট শেয়ারও করা যায়। এছাড়া এই ফোনে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ এবং ৪জি সুবিধা। ৬৬ নিটস স্ক্রিন সমৃদ্ধ স্যামসাংয়ের এই ফোনটি এখনো পর্যন্ত বাজারের সবচেয়ে উজ্জল স্ক্রীনওয়ালা মোবাইল ফোন।
*নকিয়া লুমিয়া ৫২০: নোকিয়ার ফোন ব্যবসাকে পুনরায় চাঙ্গা করে উইন্ডোস অপারেটিং সিস্টেম চালিত নকিয়া লুমিয়া ৫২০, তাছাড়া বছরজুড়ে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া উইন্ডোস ফোন ছিল এটি। ১ গিগাহার্জ ডুয়ালকোর প্রসেসর চালিত এই স্মার্টফোনের রয়েছে ৪ ইঞ্চি স্ত্রীন।
* এইচটিসি ওয়ান: ব্লিঙ্কফিড, জো‘র মতো অত্যাধুনিক সফটওয়্যারসহ গ্রাহকদের কাছে এসে চমক জাগানো এইচটিসি ওয়ান রয়েছে এ বছরের শীর্ষ দশটি মোবাইল ফোনের তালিকায়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির রযেছে ৪.৭ ইঞ্চি স্ত্রীন ও ৪ আল্ট্রাপিক্সেল ক্যামেরা। এছাড়া ১.৭ জিবি কোয়াড্রোকোর প্রসেসরের এই স্মার্টফোনের রয়েছে ২জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি ইন্টারনাল মেমরি স্টোরেজ সুবিধা।
# নেক্সাস ৫ : গুগলের এই নেক্সাস ৫ এই মুহুর্তে বাজারে সবচেয়ে নাগালের মধ্যে দামে ভালো স্মার্টফোন। মোবাইল ফোন নির্মাতা এলজি‘র তৈরি এই ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েডের সবচেয়ে আপডেটেড ভার্সন কিটক্যাট। ৪.৯৫ ইঞ্চির ফুল এইচডি স্ক্রীনযুক্ত নেক্সাস ফাইভে রয়েছে, ৮ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ৩২ ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ সুবিধা এবং ২ জিবি র‍্যাম ।
*মোটো এক্স : মোটো এক্স বাজারের অন্যসব মোবাইল ফোনের মতো অতটা সুক্ষপ্রযুক্তি নিয়ে আসতে পারেনি। তবে এর লক্ষ ছিল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সমন্বিত অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করা। এর নিজস্ব কিছু অ্যাপস যেমন টাচলেস কন্ট্রোল, অ্যাকটিভ ডিসপ্লে, কুইক ক্রাপচার ও কাস্টোমাইজেবল বডি বাজারের অন্যান্য স্মার্টফোনের সঙ্গে এর পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। মোটো এক্স ফোনের রয়েছে ১.৭ গিগাহার্জ ডুয়াল কোর প্রসেসর, ৪.৭ ইঞ্চি এইচডি স্ত্রীন ও ১০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।
*এলজি জি ফ্লেক্স : বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে জি ফ্লেক্স মাত্র দ্বিতীয় ফোন যার রয়েছে বাঁকানো স্ত্রীন। সাত ইঞ্চি এই স্ত্রীনের আর একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি কাঁচের বদলে প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এছাড়া আর একটি বিশেষত্বের জন্য এই ফোনটি আলোচিত হয়েছে তা হচ্ছে, এর সেল্ফ হিলিং ব্যাক প্রযুক্তি।
*নকিয়া লুমিয়া ১০২০ : নকিয়ার এই স্মার্টফোনটির বিশেষত্ব হচ্ছে এর তোলা ছবি অনায়াসেই পাল্লা দিতে পারে প্রফেশনাল ক্যামেরার ছবির সঙ্গে। ৪১ মেগাপিক্সেলের এই ফোনে রয়েছে কার্ল জেইস অপটিস ও জেনন+এলইিড ফ্ল্যাশ, ইমেজ স্ট্যাজিলাইজেশন ও ডুয়াল ক্যাপাচারে মতো সুবিধা।এত রয়েছে সাড়ে চার ইঞ্চির এইচডি স্ত্রীন, ১.৫ গিগাহার্জ ডুয়াল কোর ও ২ জিবি র‍্যাম সুবিধা।
*এলজি জি২: এ বছর বাজারে আলোড়ন তোলা আর একটি স্মার্ট ফোন হচ্ছে এলজি;র জি২,  অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ চালিত এই ফোনে রয়েছে ৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে, ২.২ গিগাহার্জ প্রসেসর ও ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এছাড়া এই ফোনের আর একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এতে অন্য ফোনের মতো ভলিউম ও পাওয়ার বাটন পাশে না থেকে রয়েছে একবারে পেছনের পাশে।
* সনি এক্সপেরিয়া জেড-ওয়ান : সনির সর্বশেষ এই স্মার্টফোনে রয়েছে ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে, এবং ২০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এই ফোনটি পানি ও ধুলা প্রতিরোধক। অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ তে চালানো এই ফোনের প্রসেসর হচ্ছে ২.২ গিগাহার্জ কোয়াড্রোকোর। এতে রয়েছে ২ জিবি র‍্যাম এবং ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমরি সুবিধা।
টাইমস অফ ইন্ডিয়া অবলম্বনে..................



মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৪

আসছে মটোরোলার সল্পমূল্যের স্মার্টফোন মটো জি

আসছে মটোরোলার সল্পমূল্যের স্মার্টফোন মটো জি
বাজারে স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়ার কারণে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন মোবইল উৎপাদনকারী কোম্পানি স্মার্টফোন তৈরির দিকে ঝুঁকছে। আর এ তালিকায় নতুন সংযুক্তি মটেরোলা। প্রাথমিক পর্যায়ে মটো জি নামের স্মার্টফোনের একটি ব্র্যান্ড নিয়েই তারা যাত্রা শুরু করছেন বলে জানান মটোরোলার সিইও ডেনিস উডসাইড। আর তাদের এ স্মার্টফোন অন্য যেকোন স্মার্টফোনের চেয়ে তুলনামুলক কমদামে পাওয়া যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। মানুষের কাছে স্বল্পমূল্যে স্মার্টফোন পৌঁছে দেয়া-এ লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেই মটোরোলা মটো জি স্মার্টফোন তৈরি করেছেন বলে উল্লেখ করেন কোম্পানিটির সিইও উডসাইড । এ বিষয়ে তিনি বলেন,‘ আমরা স্বল্পমূল্যে গ্রাহককে ভালমানের স্মার্টফোন সরবরাহ করতে চায়। আর এক্ষেত্রে আমাদেও প্রথম উদ্যোগ মটো জি। ’ এছাড়া আগামী বছরের মধ্যেই ৫০০ মিলিয়ন মানুষের কাছে ওই ফোন পৌঁছে দিতে চান বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সম্প্রতি ওই স্মার্টফোন ব্রাজিল এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশে বাজারজাত করা হয়েছে বলেও জানান । এর পরে তা আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ায় ক্রমান্বয়ে বাজারজাত করা হবে বলেও উল্লেখ করেন উডসাইড।
তথ্যসুত্র: ম্যাশেবল

ফ্যাবলেট আনলো স্যামসাং

ফ্যাবলেট আনলো স্যামসাং
 টেক জায়ান্ট স্যামসাং নিয়ে এল নতুন প্রজন্মের মোবাইল ফোন “গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড ২” কিন্তু এর বিশালকায় পর্দার জন্য একে মোবাইল ফোন না বলে “ফ্যাবলেট” বলা হচ্ছে। কারন এই ফোনের মূল আকর্ষণ এর ৫.২৫ ইঞ্চি আকারের পর্দা। গ্যালাক্সি সিরিজের আগের মডেল গুলোর চাইতে আরও উন্নত পর্দার কারনে এটি গ্রাহকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হবে বলে মনে করছে স্যামসাং।
এনড্রয়েড জেলিবিনের সর্বশেষ সংস্করন ৪.৩ সহ এতে রয়েছে ১.২ GHz এর Quad Core Processor, 1.5 Gb RAM, ও আরও শক্তিশালী ব্যাটারি নিয়ে এই গেজেট টি অন্যান্য স্মার্টফোন কোম্পানি গুলোকে চ্যালেঞ্জ এর মুখে ফেলতে পারার জন্য যথেষ্ট উপযোগী। ক্যামেরার রেজোলিউশান ৮ মেগাপিক্সেলই রাখা হয়েছে। এতে আরও রয়েছে ডুয়াল-সিম সুবিধা,ফলে একই মোবাইলে দুইটি অপারেটরের সেবা নেয়ার সুযোগ থাকছে। তবে বরাবরের মত এবারো স্যামসাং তাদের গেজেটের আকার নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়তে পারে। গ্যালাক্সি সিরিজের আগের সংস্করনগুলোও তাদের ‘বাড়তি’ আকৃতির জন্যে কিছুটা বিতর্কের মুখে পড়েছিল,যদিও তাদের বিভিন্ন ফিচার ও সেবার মাধ্যমে সেই অভিযোগ টেক্কা দিতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি স্যামসাং কে।
স্যামসাং এর প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে-”গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড সিরিজের বিবর্তন এর আগের ভার্সনগুলোর চাইতে আরও গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। এর হাই-ডেফিনিশন পর্দা,উন্নত পারফরমেন্স এবং আরও উল্লেখযোগ্য ফিচার একে অনন্য করে তুলেছে।” একই সাথে ট্যাবলেট পিসি ও মোবাইল ফোনের স্বাদ একই গেজেটে পেতে চাইলে স্যামসাং এর ” গ্যালাক্সি গ্র্যান্ড ২ ” গ্রাহকদের জন্য একটি যুগোপযোগী গেজেট হিসাবে বাজার কাঁপাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক স্মার্টফোনে দুই অপারেটিং সিস্টেম


স্পেনের নতুন স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিকসফোন সম্প্রতি জানিয়েছে, একই স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড ও ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম চালানো যাবে। গিকসফোন সম্প্রতি এ ধরনের একটি স্মার্টফোন তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। গিকসফোন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন স্মার্টফোনটিতে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম দু’টি গ্রাহকদের একইসাথে ব্যবহারের সুযোগ পাবে। স্মার্টফোনে এ দু’টি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে গ্রাহক যেকোনো একটি অথবা দু’টিও একইসাথে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সেবাকে সমন্বিত করে তাদের স্মার্টফোনগুলো তৈরি করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত সেবা পাবেন।
ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর এ স্মার্টফোনের সেবাগুলো প্রচলিত ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমে যেসব সেবা থাকে, তার চেয়ে অনেক বেশি। পিক প্লাস নামের এ স্মার্টফোন দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মাঝে স্মার্টফোন সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা। পিক প্লাসে ৪ দশমিক ৩ ইঞ্চির হাই ডেফিনেশনের ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে ১ দশমিক ২ গিগাহার্টজ গতির ডুয়ালকোর স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর। ৪ গিগাবাইটের এ স্মার্টফোনের তথ্য ধারণমতা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে বাড়ানো যাবে। এক হাজার ৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিযুক্ত পিক প্লাসে রয়েছে ৮ মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা। এতে উন্নত ১.১ সংস্করণের ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ২৫ গিগাবাইটের কাউড সেবাও রয়েছে।
্একস্মার্টফোনে একইসাথে চলবে দু’টি অপারেটিং সিস্টেম
স্পেনের নতুন স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিকসফোন সম্প্রতি জানিয়েছে, একই স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড ও ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম চালানো যাবে। গিকসফোন সম্প্রতি এ ধরনের একটি স্মার্টফোন তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। গিকসফোন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন স্মার্টফোনটিতে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম দু’টি গ্রাহকদের একইসাথে ব্যবহারের সুযোগ পাবে। স্মার্টফোনে এ দু’টি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে গ্রাহক যেকোনো একটি অথবা দু’টিও একইসাথে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সেবাকে সমন্বিত করে তাদের স্মার্টফোনগুলো তৈরি করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত সেবা পাবেন।
ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর এ স্মার্টফোনের সেবাগুলো প্রচলিত ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমে যেসব সেবা থাকে, তার চেয়ে অনেক বেশি। পিক প্লাস নামের এ স্মার্টফোন দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মাঝে স্মার্টফোন সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা। পিক প্লাসে ৪ দশমিক ৩ ইঞ্চির হাই ডেফিনেশনের ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে ১ দশমিক ২ গিগাহার্টজ গতির ডুয়ালকোর স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর। ৪ গিগাবাইটের এ স্মার্টফোনের তথ্য ধারণমতা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে বাড়ানো যাবে। এক হাজার ৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিযুক্ত পিক প্লাসে রয়েছে ৮ মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা। এতে উন্নত ১.১ সংস্করণের ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ২৫ গিগাবাইটের কাউড সেবাও রয়েছে।

১৫ হাজার টাকায় স্যামসাং থ্রিজি ফোন

১৫ হাজার টাকায় স্যামসাং থ্রিজি ফোন
  বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে থ্রিজি সেবা চালু হওয়ার পর থেকেই থ্রিজি ব্যবহার উপযোগী সেট বাজারে ছাড়ছে স্যামসাং। উচ্চদামের ট্যাব, নোটের পাশাপাশি তুলনামূলক কম দামের সেটও বাজারে ছাড়ছে তারা।
স্যামসাং সম্প্রতি বাজারে নিয়ে এসেছে গ্যালাক্সি সিরিজের গ্যালাক্সি ট্রেন্ড। ৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং ডুয়াল সিম ব্যবহারের সুবিধা আছে এই সেটে।
থ্রিজি কানেক্টিভিটিসহ গ্যালাক্সি ট্রেন্ড এ থাকছে অত্যাধুনিক সব ফিচার। এতে রয়েছে ৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন অপারেটিং সিস্টেম, ১ গিগাহার্টজ প্রসেসর যার সাহায্যে ছবি, গান, ভিডিও, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে অনেক সহজেই।
এই স্মার্টফোনগুলোতে আরো রয়েছে দ্রুতগতির ব্লুটুথ ৪.০, ওয়াই ফাই, এ-জিপিএস, ৪ গিগাবাইট মেমোরি (৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত বর্ধনশীল এবং দীর্ঘমেয়াদি ১৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি।
থ্রিজির জনপ্রিয়তা ও চাহিদা মাথায় রেখে গ্যালাক্সি ট্রেন্ডের সঙ্গে থাকছে বাংলালিংকের কিছু ডাটা অফার। গ্রাহকরা ১ গিগাবাইটের ডাটা প্যাক কিনলে পাচ্ছেন শতভাগ বোনাস, তারা এই ১ গিগাবাইট ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন একেবারে বিনামূল্যে।
গ্যালাক্সি ট্রেন্ডের মূল্য ১০হাজার ৯০০ টাকা।
তারুণ্যের উচ্ছ্বলতা চিন্তা করে গ্যালাক্সি ইয়াংডুয়োস বাজারে এনেছে স্যামসাং। এই ফোনটি ব্যবহারের মাধ্যমে উপভোগ্যতার ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে বলেই মনে করছে স্যামসাং।
গ্যালাক্সি ইয়াং ডুয়োস এ রয়েছে  ৩.২৭ ইঞ্চি বড় ফুল টাচ স্ক্রিন। যার মাধ্যমে সব অত্যাধুনিক ফিচার উপভোগ করা যায় খুব সহজেই। ছবি, গান, ভিডিও, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য সব ফিচার খুবই স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে পরিচালনা করা যাবে ৯ গিগাহার্টজ প্রসেসর এবং অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন অপারেটিং সিস্টেমের সাহায্যে।
ফোনটিতে রয়েছে ৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ব্লুটুথ, ওয়াই ফাই, এ জিপিএস, ৪ গিগাবাইট মেমোরি (৬৪ গিগাবাইট পর্যন্ত বর্ধনশীল) এবং দীর্ঘস্থায়ী ১৩০০ এমএএইচ ব্যাটারি।
বাড়তি সুবিধা দিতে এই ফোনে রয়েছে স্মার্ট অ্যালার্ট। এই অ্যালার্ট আপডেট করতে ঝাকাতে হবে আর শব্দ বন্ধ (অ্যালার্ট টোন) করতে উল্টিয়ে রাখতে হবে।
পরিবর্তনযোগ্য উইজেট থেকে শুরু করে কার্যকরি নোটিফিকেশন ও ইনটুউটিভ হোম স্ক্রিন, ডুয়াল সিম সুবিধা। এছাড়াও ইজি মোডের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা আরো সহজেই প্লে-স্টোর থেকে ৭ লাখেরও বেশি অ্যপ্লিকেশন প্রিয় কনট্যাক্ট ইত্যাদি ব্যবহারের সুবিধা পাবেন

হ্যান্ডসেটটির সাথে থাকছে ট্রাভেল অ্যাডাপটার, ব্যাটারি, স্টেরিও হ্যান্ডসেট, ডাটা কেবল এবং হেডসেট। ফোনটি পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় তিনটি রঙে- সাদা,ডিপ ব্লু এবং মেটালিক সিলভার।
গ্যালাক্সি ইয়াং ডুয়োস এর মূল্য ১১ হাজার ৯০০ টাকা।